দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে যে বিনিয়োগে স্থবিরতা চলছে, তা এখন আর অস্বীকার করার সুযোগ নেই। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, সুদহার বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ—সব মিলিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ কঠিন হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে করনীতির অসামঞ্জস্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। করপোরেট করহার ধাপে ধাপে কমিয়ে ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশে নামানো হলেও বাস্তবে মোট করভার এখনো ৪০ শতাংশের বেশি, যা বিনিয়োগবান্ধব নয়; বরং নিরুৎসাহিত করার মতো।
এ অবস্থায় সরকার যদি নতুন করে টার্নওভার বা লেনদেন কর বাড়ানোর পথে হাঁটে, তবে তা হবে পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তোলার শামিল। ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, এতে মূলধনে টান পড়বে, মুনাফা কমবে এবং নতুন বিনিয়োগ আরও কমে যাবে। অর্থনীতির এই মৌলিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে রাজস্ব বাড়ানোর চেষ্টা শেষ পর্যন্ত উল্টো ফলই বয়ে আনতে পারে। আমরা মনে করি, গত রোববার মেট্রো চেম্বার ও ইআরএফের য়ৌথ আয়োজনে ব্যবসায়ী নেতারা যে অভিমত তুলে ধরেছেন, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।